বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরে শিক্ষক ফারুকের ড্রাগন বাগানে সাফল্য, বছরে ফলন ২০ লাখ টাকা শ্রীপুরে বনভূমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ অস্বীকার, তথ্য যাচাই করেই দলিল সম্পাদন শ্রীপুরে বনভূমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ অস্বীকার, তথ্য যাচাই করেই দলিল সম্পাদন মোহাম্মদ আদনান মামুন, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি এবং সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলো বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। পরিকল্পিতভাবে দলিল লেখক হাদিউল ইসলাম-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাব-রেজিস্ট্রারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানা বনভূমি রেজিস্ট্রির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি প্রতিটি দলিলের দাতা-গ্রহীতার পরিচয়, মালিকানার কাগজপত্র, দাগ-খতিয়ান ও পূর্ববর্তী দলিল যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী দলিল সম্পাদন করেন। তার দায়িত্বকালে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার মতো কোনো অনিয়ম ঘটেনি বলেও দাবি করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী মৌজার সিএস ৫৩ নম্বর দাগের সাড়ে ৩৩ শতাংশ জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জমিটির ক্রেতা হিসেবে ঢাকার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা তৌহিদুল আলম মিলকি এবং দাতা হিসেবে ফেনী সদর উপজেলার চাড়িপুর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিম নাহিদ-এর নাম উল্লেখ করা হয়। ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওই জমির ১২৯৮২/২৫ নম্বর সাফ-কবলা দলিল ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর রেজিস্ট্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। উক্ত সাব কবলা দলিলটি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় উল্লেখিত দলিলের তফসিলে এস এ দাগ ৫৭০ খতিয়ান ১৮ এবং আর এস দাগ ১০৬৯ খতিয়ান ১৫২ এর সাথে সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির মিল নেই। অর্থাৎ সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির দলিল সম্পাদিত হয় নাই। দলিলটির লেখক হিসেবে উত্তর পেলাইদ এলাকার হাদিউল ইসলাম (সনদ নং-১১১)-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত সিএস ৫৩ নম্বর দাগ অনুযায়ী কোনো দলিল সম্পাদন হয়নি। তাই সোহেল রানার বিরুদ্ধে জেনে-শুনে বনভূমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১০ সালের ৬৬২৪ নম্বর সাফ-কবলা দলিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দলিলের সময় সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন আনোয়ারুল হক এবং দলিল লেখক ছিলেন হাফিজ উদ্দিন (সনদ নং-২৬৯)। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো কোনো দলিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে মূল দলিল, বায়া দলিল ও সরকারি রেকর্ড যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিকে তৌহিদুল আলম মিলকি ওই এলাকায় গোডাউন নির্মাণ করে ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন—এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, জমিতে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আলাদা; এর সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের দলিল সম্পাদনকে যুক্ত করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সোহেল রানা ঘুষ, চাপ বা কোনো ব্যক্তিগত চুক্তির ভিত্তিতে নয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনগত বিষয় যাচাই করেই দলিল সম্পাদন করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দলিল, সিএস-এসএ-আরএস রেকর্ড, খতিয়ান, বন বিভাগের গেজেট ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথি পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তাদের দাবি, সোহেল রানা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কোনো অনিয়ম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সরকারি বা গেজেটভুক্ত বনভূমি আইনবহির্ভূতভাবে ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রির সুযোগ দেওয়া হবে না। শ্রীপুর তেলিহাটি ইউনিয়নের দফাদার মাদকের অভিযোগ রয়েছে লিভারপুলকে হটিয়ে ফের শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি চার দিনের ইজতেমা ছয় দিনে গড়াবে! বিএনপির উপজেলা চেয়ারম্যানরা কী করবেন? সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে উদ্ধার ৩০ শিশুর সামনে মায়ের গায়ে আগুন, গ্রেপ্তার ১ আগুনে ব্রাজিলের ছয় ফুটবলারসহ ১০ জনের মৃত্যু
Our Like Page

শ্রীপুরে বনভূমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ অস্বীকার, তথ্য যাচাই করেই দলিল সম্পাদন মোহাম্মদ আদনান মামুন, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি এবং সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলো বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। পরিকল্পিতভাবে দলিল লেখক হাদিউল ইসলাম-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাব-রেজিস্ট্রারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানা বনভূমি রেজিস্ট্রির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি প্রতিটি দলিলের দাতা-গ্রহীতার পরিচয়, মালিকানার কাগজপত্র, দাগ-খতিয়ান ও পূর্ববর্তী দলিল যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী দলিল সম্পাদন করেন। তার দায়িত্বকালে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার মতো কোনো অনিয়ম ঘটেনি বলেও দাবি করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী মৌজার সিএস ৫৩ নম্বর দাগের সাড়ে ৩৩ শতাংশ জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জমিটির ক্রেতা হিসেবে ঢাকার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা তৌহিদুল আলম মিলকি এবং দাতা হিসেবে ফেনী সদর উপজেলার চাড়িপুর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিম নাহিদ-এর নাম উল্লেখ করা হয়। ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওই জমির ১২৯৮২/২৫ নম্বর সাফ-কবলা দলিল ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর রেজিস্ট্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। উক্ত সাব কবলা দলিলটি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় উল্লেখিত দলিলের তফসিলে এস এ দাগ ৫৭০ খতিয়ান ১৮ এবং আর এস দাগ ১০৬৯ খতিয়ান ১৫২ এর সাথে সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির মিল নেই। অর্থাৎ সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির দলিল সম্পাদিত হয় নাই। দলিলটির লেখক হিসেবে উত্তর পেলাইদ এলাকার হাদিউল ইসলাম (সনদ নং-১১১)-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত সিএস ৫৩ নম্বর দাগ অনুযায়ী কোনো দলিল সম্পাদন হয়নি। তাই সোহেল রানার বিরুদ্ধে জেনে-শুনে বনভূমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১০ সালের ৬৬২৪ নম্বর সাফ-কবলা দলিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দলিলের সময় সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন আনোয়ারুল হক এবং দলিল লেখক ছিলেন হাফিজ উদ্দিন (সনদ নং-২৬৯)। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো কোনো দলিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে মূল দলিল, বায়া দলিল ও সরকারি রেকর্ড যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিকে তৌহিদুল আলম মিলকি ওই এলাকায় গোডাউন নির্মাণ করে ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন—এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, জমিতে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আলাদা; এর সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের দলিল সম্পাদনকে যুক্ত করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সোহেল রানা ঘুষ, চাপ বা কোনো ব্যক্তিগত চুক্তির ভিত্তিতে নয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনগত বিষয় যাচাই করেই দলিল সম্পাদন করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দলিল, সিএস-এসএ-আরএস রেকর্ড, খতিয়ান, বন বিভাগের গেজেট ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথি পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তাদের দাবি, সোহেল রানা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কোনো অনিয়ম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সরকারি বা গেজেটভুক্ত বনভূমি আইনবহির্ভূতভাবে ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।

শ্রীপুরে বনভূমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ অস্বীকার, তথ্য যাচাই করেই দলিল সম্পাদন মোহাম্মদ আদনান মামুন, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি এবং সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলো বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। পরিকল্পিতভাবে দলিল লেখক হাদিউল ইসলাম-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাব-রেজিস্ট্রারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানা বনভূমি রেজিস্ট্রির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি প্রতিটি দলিলের দাতা-গ্রহীতার পরিচয়, মালিকানার কাগজপত্র, দাগ-খতিয়ান ও পূর্ববর্তী দলিল যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী দলিল সম্পাদন করেন। তার দায়িত্বকালে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার মতো কোনো অনিয়ম ঘটেনি বলেও দাবি করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী মৌজার সিএস ৫৩ নম্বর দাগের সাড়ে ৩৩ শতাংশ জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জমিটির ক্রেতা হিসেবে ঢাকার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা তৌহিদুল আলম মিলকি এবং দাতা হিসেবে ফেনী সদর উপজেলার চাড়িপুর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিম নাহিদ-এর নাম উল্লেখ করা হয়। ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওই জমির ১২৯৮২/২৫ নম্বর সাফ-কবলা দলিল ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর রেজিস্ট্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। উক্ত সাব কবলা দলিলটি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় উল্লেখিত দলিলের তফসিলে এস এ দাগ ৫৭০ খতিয়ান ১৮ এবং আর এস দাগ ১০৬৯ খতিয়ান ১৫২ এর সাথে সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির মিল নেই। অর্থাৎ সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির দলিল সম্পাদিত হয় নাই। দলিলটির লেখক হিসেবে উত্তর পেলাইদ এলাকার হাদিউল ইসলাম (সনদ নং-১১১)-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত সিএস ৫৩ নম্বর দাগ অনুযায়ী কোনো দলিল সম্পাদন হয়নি। তাই সোহেল রানার বিরুদ্ধে জেনে-শুনে বনভূমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১০ সালের ৬৬২৪ নম্বর সাফ-কবলা দলিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দলিলের সময় সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন আনোয়ারুল হক এবং দলিল লেখক ছিলেন হাফিজ উদ্দিন (সনদ নং-২৬৯)। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো কোনো দলিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে মূল দলিল, বায়া দলিল ও সরকারি রেকর্ড যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিকে তৌহিদুল আলম মিলকি ওই এলাকায় গোডাউন নির্মাণ করে ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন—এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, জমিতে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আলাদা; এর সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের দলিল সম্পাদনকে যুক্ত করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সোহেল রানা ঘুষ, চাপ বা কোনো ব্যক্তিগত চুক্তির ভিত্তিতে নয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনগত বিষয় যাচাই করেই দলিল সম্পাদন করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দলিল, সিএস-এসএ-আরএস রেকর্ড, খতিয়ান, বন বিভাগের গেজেট ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথি পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তাদের দাবি, সোহেল রানা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কোনো অনিয়ম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সরকারি বা গেজেটভুক্ত বনভূমি আইনবহির্ভূতভাবে ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।