1. admin@atvnews24.com : admin : Ashraf Iqbal
  2. bandpothik683@gmail.com : Asif Badhan : Asif Badhan
  3. smshorifgz@gmail.com : Shorif Gazi : Shorif Gazi
শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দ্রুত পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারের ব্যবস্থা করুন : কাইয়ুম চৌধুরী শার্শায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজানুর রহমান জালালের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন শ্রীবরর্দীতে ৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ইউপি সদস্য গ্রেফতার সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড সচিব এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হজ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষকে দেখানোর জন্য নয় : মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী এমপি সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভায় রাজিব আহসান আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে দেশের মানুষ ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করেছে শহিদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন: এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ধামইরহাটে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আদিবাসী শিশু ধর্ষণের দায়ে ধর্ষক ফাহিম গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন পাকিস্তানপন্থীদের দখলে!

এটিভি নিউজ ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৪ বার পঠিত
এটিভি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন পাকিস্তানপন্থীদের দখলে। আমি জানি প্রথম লাইন পড়া মাত্র আমাকে গালাগালি শুরু করবে অনেকেই। বিশেষ করে পাকিস্তানপন্থীরা। কারণ এরা পাকিস্তানপন্থী হলেও জানে যে পাকিস্তানপন্থী পরিচয়টি লজ্জার। পরাজিতের। নোংরামির। পাকিস্তানপন্থীরা এদেশের প্রায় সব সেক্টরেই এখনো আছে। কিন্তু গণমাধ্যমের মতো এতটা নীরবে থেকেই শক্ত দখল আর কোথাও নেই। এটা আমার ধারণা। অন্য সেক্টরগুলোতে তাঁদের দখল-দারিত্ব ৫০-৫০ এর ওপরে যাবে না। কিন্তু বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এদের দখলদারিত্বের হিসাব করলে সেটা ৭৫ ভাগেরও বেশি। এরা কীভাবে দখল করতে হয় জানে। রীতিমতো গেরিলা ট্রেনিং। কাউকে ধরে, কারও মাধ্যমে একবার ঢুকে পড়লে হয়। এরপর এরা শেকড় গজিয়ে নেয়। রঙ পালটে বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক প্রমাণ করে। গত এক যুগে এরা সংখ্যায় হু হু করে বাড়ছে। ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে এটাকে তাঁরা অস্ত্র হিসেবেই নিয়েছে। গণমাধ্যমে যেকোনো উপায়ে ঢুকে আগে এরা নিজেকে সেট করে। এরপর এরা, মানে পরাজিতদের সব কোয়া এক যোগে কাজ করে। এদের সম্মিলিত শক্তির কাছে অন্য সব পন্থা, স্বাভাবিক কর্মীরা ধরা। এরা এতোই শক্তিশালী যে সংখ্যা বৃদ্ধি চক্রবৃদ্ধির মতোই বাড়ছে।

এরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে মালিকপক্ষ, ক্ষমতাবান কর্মকর্তাদের যতদূর সম্ভব ম্যানেজ করে রাখতে। কেউ তেলায়, কেউ সার্ভ করে, কেউ চুকলিবাজি করে, কেউ শোয়, কেউ উপঢৌকন দেয়, এমনকি পারলে আম-দই-ক্যাপসিকাম পর্যন্ত। এরা একতাবদ্ধ থাকে। পরস্পরের নামে প্রশংসা করে। আর এদের বিপরীতে যারা তাঁরা কেওয়াজ করে। ফলে সংঘবদ্ধ চক্র ক্ষমতাসীন বা মালিকপক্ষের কাছে ভালো বলে চিহ্নিত হয়। ক্রমশ এরা হাউজের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সেটা মালিকপক্ষ বুঝে, আইওয়াশের জন্য সামনে বাংলাদেশপন্থী কাউকে রাখে। প্রকৃত ক্ষমতা এখন বেশিরভাগ গণমাধ্যমে পাকিস্তানপন্থীদের হাতেই। কিন্তু খালি চোখে দেখলে সামনে থেকে বোঝা যাবে না। এরা অন্যের কাধে বন্দুক রেখেই নিয়ন্ত্রণ করে। গণমাধ্যমগুলোর অনলাইন শাখা আপাতত ৯০ শতাংশ এই পাকিস্তানপন্থীদের হাতে জিম্মি। এরা ডলারের লোভ দেখায়, ভাইরাল আইটেম বানায়। জঙ্গিবাদ উস্কানোসহ নানান কিছু করে যাচ্ছে, মূল ধারার গণমাধ্যমের লোগো ব্যবহার করেই।

সমস্যা হলো, এগুলো দেখার কেউ নাই। বোঝার কেউ নাই। অনেক সিনিয়র সাংবাদিক আছেন, যাদের নিজের ক্ষমতা নেই হাউজ চালানোর, তাই চাকরি টিকিয়ে রাখতে এদের মন যুগিয়ে চলেন। জামায়াতে ইসলামের অনলাইন মিথ্যা আর প্রপাগাণ্ডা সেলে গত এক দশকে শক্তিশালীভাবে কাজ করা অগুনতি কর্মী এখন বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের অনলাইন নিয়ন্ত্রণ করে। এরা ব্যবসা আর ট্যাকটিস দেখিয়ে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।পাকিস্তানপন্থীদের বেশিরভাগ নিজেকে হয় বাম, নয় আওয়ামী লীগার বলে পরিচয় দেয়, একেবারে না পারলে বিএনপি বা জাতীয় পার্টি বলে।

এ ট্রেন্ড অবশ্য বঙ্গবন্ধু হত্যার পরেই শুরু হয়েছিল। কারণ তখনো এদেশে মুক্তিযুদ্ধের ক্ষত টকটকে। তাই পাকিস্তানপন্থীরা নিজেকে বিভিন্ন দলের লেবাসে ঢেকে রাখতো। এখন গণমাধ্যমে কাজ করার ক্ষেত্রে সেই পুরাতন পন্থাই অবলম্বন করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এরা হাউজ দখল করে কর্মী দিয়ে। কিছু জায়গায় এরা বিনিয়োগও করেছে। যেখানে বিনিয়োগ আছে সেখানে এদের নিয়ন্ত্রণ প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু সেটা ঢেকে রাখার জন্য এরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কাউকে সামনে সাজিয়ে রাখে, যাতে এদের পরিচয় প্রকাশ না হয়। প্রতিদিনের  গণমাধ্যম কর্মীর চোখে দেখা ঢাকা শহরের মূল ধারার গণমাধ্যমের বাস্তবতা এটি। মফস্বলের কথা জানি না।

লেখক: আশিকুর রহমান অপু, সাংবাদিক। ৫৪ তম স্বাধীনতা দিবস। ২৫.৩.২৪। ফেসবুক থেকে

সূত্র : আমাদের সময় ডট কম।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর