1. likekuddus516bd@gmail.com : AK :
May 14, 2022, 2:09 am

এবার সবচেয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে কুমিল্লা

Reporter Name
  • Update Time : Monday, October 29, 2018,

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের খেলোয়াড় ড্রাফট সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট।রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে দুপুর ১২টায় শুরু হয় খেলোয়াড়দের ড্রাফট। শুরুতে বিপিএল গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান আফজালুর রহমান সিনহার শোকে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হোসেন পাপন। তারপর লটারীর মাধ্যমে শুরু হয় প্লেয়ার্স ড্রাফট। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা ধরে চলে খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোর এই প্রক্রিয়া। দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটে শেষ হয় বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের খেলোয়াড় ড্রাফট।এবারের আসরে অংশ নেওয়া সাতটি দল তাদের পছন্দ অনুযায়ী দল গঠন করছে। আর সেখান থেকেই পছন্দের তারকাদের নিয়ে দল গঠন করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

দেশি-বিদেশি তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে শক্তিশালী দল গঠন করেছে তারা। আসন্ন আসরের জন্য দেশি-বিদেশি মিলে ১৯ জন ক্রিকেটার দলে ভিড়িয়েছে বিপিএলের তৃতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।প্লেয়ার্স ড্রাফট মানেই ভাগ্যের লড়াই। সাত দলের মধ্যে প্রতি কলের আগে লটারি। তাতে সবার আগে পছন্দর ক্রিকেটার বেছে নেয়ার সুযোগ। তাই পছন্দের ক্রিকেটার পেতে ভাগ্যর আনুকূল্য বিশেষ দরকার। সব দলের তাই প্লেয়ার্স ড্রাফটে ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে ছাড়া উপায়ও নেই।কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীনও ভাগ্যের দিকেই তাকিয়ে ছিলেন। তার লক্ষ্য ছিল, স্থানীয়দের মধ্যে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান কাম উইকেকিপার ও একজন জেনুইন কুইক বোলার।ব্যাটসম্যান কাম কিপার হিসেবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স শিবিরের চোখ ছিল দুজনের ওপর- এক মুশফিক আর দুই, এনামুল হক বিজয়। প্রথমে কথা ছিল মুশফিক ড্রাফটে থাকবেন।

তাই সালাউদ্দীন বাসা থেকে পণ করেই বেরিয়েছিলেন সুযোগ এলে মুশফিককে নিয়ে নেবেন। তাতে ব্যাটিং স্তম্ভর পাশাপাশি কিপারের অভাবটাও মিটবে। আর দ্বিতীয় পছন্দ ছিলেন এনামুল হক বিজয়।অন্যদিকে পেস বোলারদের মধ্যে আবু হায়দার রনির ওপরও চোখ ছিল সালাউদ্দীনের। শেষ মুহূর্তে মুশফিক এ প্লাস ক্যাটাগরিতে চিটাগাং ভাইকিংসে নাম লিখালে এনামুল হক বিজয়ই ছিল কুমিল্লার ফার্স্ট চয়েজ। সে অাশা পূরণ হয়েছে।ড্রাফটে অন্য দল ডাকার আগে বিজয় আর পাশাপাশি আবু হায়দার রনিকে নেয়ারও সুযোগ চলে আসে। কাল বিলম্ব না করে ঐ দুই পছন্দের ক্রিকেটার এবং টিম কম্বিনেশনের শর্ত পূরণের পারফরমারকে পেয়ে তাই বেশ খুশি কুমিল্লা কোচ সালাউদ্দীন।প্লেয়ার্স ড্রাফটে এমন কোন ক্রিকেটার কি ছিলেন, যার দিকে লক্ষ্য ছিল? যাকে বা যাদের পেতে আগ্রহী ছিলেন? এমন প্রশ্নর জবাবেই বিজয় আর আবু হায়দায় রনির কথা বলেন সালাউদ্দীন।তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন উইকেট কিপার কাম ব্যাটসম্যান দরকার ছিল। কোটায় ছিল মুশফিক আর বিজয়। মুশফিক তো চলেই গেল। বিজয়কে না পেলে হয়ত বিদেশি কাউকে দিয়ে ঐ জায়গা ভরাট করতে হতো। আমরা সৌভাগ্যবান বিজয়কে কেউ না নেয়ায় আমরা ডাকার আগেই পেয়ে গেছি। একই ভাবে আবু হায়দার রনিকেও পাওয়া গেছে। এ বাঁহাতি ফাস্টবোলার এখন বেশ ভালো করছে। এ দুজনই আমাদের টার্গেটে ছিল। তাদের পাওয়ায় আমরা খুশি।’

কুমিল্লা কোচের অভিমত, ‘আমাদের টিম ব্যালেন্স হয়েছে। লোকাল কালেকশন ভালো হয়েছে। ভাগ্য প্রসন্ন থাকায় কিছু ভালো প্লেয়ার পেয়ে গেছি। আমি চেয়েছিলাম লোকাল প্লেয়ারদের মধ্যে যাদের নেব, তারা যেন একটু অভিজ্ঞ হয়।তিনি বলেন, ‘সৌভাগ্যবশতঃ তেমনই পেয়েছি। কারণ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অভিজ্ঞ ও পরিণত ক্রিকেটার কাজে দেয়। আমাদের দলে টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট আছে। সেটাও কাজে লাগতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, পুরো দল কিভাবে এবং কত দ্রুত ছন্দ পায়।’এর পাশাপাশি সঠিক ও কার্যকর ক্রিকেটারকে জায়গামত খেলানোটা খুব জরুরী বলে মনে করেন সালাউদ্দীন। তার অনুভব ও উপলব্ধি, সেটাই বরং সাফল্যর অন্যতম পূর্বশর্ত।নিজ দল সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে বলা হলে কুমিল্লা কোচ বলেন, ‘আমাদের মিডল অর্ডারটা বেশ শক্ত আছে। ঐ জায়গায় আছেন শোয়েব মালিকের মত অভিজ্ঞ ও ঝানু পারফরমার। যার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার সামর্থ্য প্রচুর।’এদিকে গত আসরের চেয়ে এবারের দল শক্তিশালী হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গতবারের সঙ্গে এবারের টিম এখনো তুলনা করতে পারবো না। কারণ খেলার এখনো দুই মাস বাকি। দুই মাস পরে কি হবে আসলে আমরা তা বলতে পারি না কেউই।তবে আমাদের লোকাল কালেকশনটা খুব ভালো হয়েছে। সেই দিকে চিন্তা করলে মনে হয় আমাদের এবারের টিম খুব ভালো হয়েছে। টিম খুব ব্যালেন্স হয়েছে এখন মাঠে কেমন হবে পারফর্ম হবে সেটাই দেখার বিষয়। আসুন একনজরে দেখেনিন এবারের বিপিএলে কে কোন দলের হয়ে খেলবেন-

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স :
রিটেইন : তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শোয়েব মালিক। সরাসরি সাইন : আশেলা গুনারত্নে, লিয়াম ডসন।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১৩ জন) : আবু হায়দার রনি, এনামুল হক বিজয়, মেহেদী হাসান, জিয়াউর রহমান, মোশাররফ হোসেন রুবেল, মোহাম্মদ শহীদ, শামসুর রহমান, সঞ্জীত সাহা, শহীদ আফ্রিদি, থিসারা পেরেরা, এভিন লুইস, ওয়াকার সালমাখায়েল ও আমির ইয়ামিন।

ঢাকা ডায়নামাইটস :
রিটেইন: সাকিব আল হাসান, সুনীল নারিন, রভম্যান পাওয়েল ও কাইরন পোলার্ড। সরাসরি সাইন: আন্দ্রে রাসেল, হজরতউল্লাহ জাঝাই।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১১ জন): রুবেল হোসেন, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রনি তালুকদার, শুভাগত হোম, কাজী অনিক, মিজানুর রহমান, আসিফ হাসান, শাহাদাত হোসেন রাজীব, নাঈম শেখ, আন্দ্রে ব্রিচ ও ইয়ান বেল।

খুলনা টাইটান্স :
রিটেইন : মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আরিফুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও কার্লোস ব্রাফেট। সরাসরি সাইন: ডেভিড মালান, আলী খান।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১৩ জন): জহুরুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম,তাইজুল ইসলাম, মো. আল-আমিন, শুভাশিষ রায়, জুনায়েদ সিদ্দীক, তানবীর ইসলাম, মাহিদুল অঙ্কন, জহির খান, শ্রেরফানে রাদারফোর্ড, লাসিথ মালিঙ্গা, ইয়াসির শাহ ও ব্রেন্ডন টেলর।

রাজশাহী কিংস :
রিটেইন: মুমিনুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান ও জাকির হাসান। সরাসরি সাইন: কায়েস আহমেদ, ক্রিস্টিয়ান জনকার।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১১ জন) : সৌম্য সরকার, ফজলে মাহমুদ রাব্বী, আরাফাত সানী, আলাউদ্দিন বাবু, মার্শাল আইয়ুব, কামরুল ইসলাম রাব্বী, ইসরু উদানা, লায়োরি ইভান্স, রায়ান টেন ডয়েসকাট, শেকুগে প্রসন্ন ও মোহাম্মদ সামি।

সিলেট সিক্সার্স :
রিটেইন : নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, সোহেল তানভীর ও লিটন কুমার দাশ। সরাসরি সাইন: ডেভিড ওয়ার্নার, সন্দ্বীপ লামিচানে।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১৫ জন) : আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, আল-আমিন হোসেন, তৌহিদ হৃদয়, নাবিল সামাদ, ইবাদত হোসেন, অলোক কাপালি, জাকের আলী মানিক, মেহেদী হাসান রানা, ফাবিয়ান আলেন, মোহাম্মদ ইরফান, গুলবাদিন নাইব, আন্দ্রে ফ্লেচার, প্যাট ব্রাউন ও নিকোলাস পুরান।

রংপুর রাইডার্স :
রিটেইন: মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাজমুল ইসলাম অপু, মোহাম্মদ মিথুন ও ক্রিস গেইল। সরাসরি সাইন: এবি ডি ভিলিয়ার্স, অ্যালেক্স হেলস।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১২ জন) : শফিউল ইসলাম, সোহাগ গাজী, ফরহাদ রেজা, মেহেদী মারুফ, রবি বোপারা, রাইলি রুশো, নাহিদুল ইসলাম, নাদীফ চৌধুরী, আবুল হাসান রাজু, ফারদিন হোসেন অনি, রবি বোপারা, বেনি হাওয়েল ও ওসানে থমাস।

চিটাগং ভাইকিংস :
রিটেইন: মুশফিকুর রহিম, লুক রনকি, সিকান্দার রাজা ও সানজামুল ইসলাম। সরাসরি সাইন: মোহাম্মদ শাহজাদ, রবার্ট ফ্রাইলিঙ্ক।

ড্রাফট থেকে নেওয়া (১২ জন): মোসাদ্দেক হোসেন, আবু জায়েদ রাহী, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসান, মোহাম্মদ আশরাফুল, রবিউল হক, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নিহাদ-উহ-জামান, নাজিবুল্লাহ জারদান, সাদমান ইসলাম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও দাসুন শানাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 atvnews24
Theme Customized BY LatestNews