Main Menu

ঘিওর সরকারি কলেজে প্রাক্তন ও বর্তমান সহকর্মীদের মিলনমেলা

            এক ফ্রেমে প্রাক্তন ও বর্তমান সহকর্মীবৃন্দ(একাংশ)

আইভি তাখি: মানিকগঞ্জের ইছামতি নদীর তীরেই ঘিওর সরকারি কলেজ। কলেজের জানালা দিয়ে তাকালে চোখে পড়ে এক নৈসর্গিক সৌন্দর্য। সৃষ্টিকর্তার রংতুলির আচড়ে আঁকা এই নদী যে কারো হৃদয়ে যায়গা করে নিতে সক্ষম। মানিকগঞ্জ ১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এ. এম. নাঈমুর রহমান দূর্জয় এর বাবা ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাংসদ অধ্যাপক আবু মো: সায়েদুর রহমানের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ইচ্ছাশক্তিতে ঘিওর সরকারি কলেজ ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকে এবং এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দের ১লা জুলাই জাতীয়করণ করা হয়।

 

               শিক্ষক মিলনায়তনে সকল কর্মকর্তাবৃন্দ

 

 

 

গত ৮ মার্চ ঘিওর সরকারি কলেজের বার্ষিক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ও বর্তমান সহকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। ঘিওর সরকারি কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আমির হোসেনের ইচ্ছায় হঠাৎ করেই ভিন্নধর্মী এক অনুষ্ঠানের স্বাদ পেলো এই কলেজের প্রাক্তন এবং বর্তমান সকল কর্মকর্তারা। বার্ষিক প্রীতিভোজ নাম হলেও মূলত এটা হয়ে উঠে নতুন পুরাতন সহকর্মীদের সাক্ষাত মেলা। এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান নি কোন সহকর্মীই। ৮ মার্চ  জাতীয় নারী দিবস হওয়ার কারনে নারী সহকর্মীদের মধ্যে আলাদা মাত্রা যোগ হয়। দিনটি ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই স্বপরিবারে এসেছেন। পরিবারের ছোট্ট শিশুরা নদীর চলার বাঁকে কিছক্ষনের জন্য হলেও হারিয়ে গিয়েছিল। তারা আপন করে নিয়েছিল মাটি, নদী ফুল পাখিকে। বার্ষিক প্রীতিভোজের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই কলেজের উন্নয়নের সাক্ষী প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবুল কাশেম  এবং প্রফেসর মো: শাহ জাহান।

   অতিথিদের সাথে নিয়ে বৃক্ষরোপন করছেন অধ্যক্ষ মহোদয়

অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্যে অতীতের স্মৃতিগুলো উপস্থিত সকলের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবুল কাশেম বলেন এধরনের অনুষ্ঠান কর্মক্ষেত্রকে আরো প্রাণবন্ত করে। প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: শাহ জাহান বলেন বর্তমানে যারা এখানে কর্মরত আছেন আমার বিশ্বাস তারা আমাদের থেকেও আরো ভালো কিছু করবেন। আজকের অনুষ্ঠান তার একটি অন্যতম উদাহরণ। পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের এ কলেজের প্রাক্তন সহযোগী অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রেজাউল হাসান আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন আমার শিক্ষকতা জীবনের যৌবনকাল আমি এ কলেজে কাটিয়েছি। এ কলেজ আমার প্রেমের সাথে সন্ধি করে নিয়েছে।

                                   হাসিমুখর দিন

উপস্থিত প্রাক্তন সহকর্মীদের সকলের বক্তব্যে বর্তমান অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রফেসর মো: আমির হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি ইনশাল্লাহ আমি এই কলেজকে উত্তর উত্তর সফলতার দিকে নিতে পারবো। এইবার আমি বলতে চাই আমরা সকলে মিলে এই কলেজকে আরো উত্তর উত্তর সফলতার দিকে নিতে পারবো। এই জন্য সকল সহকর্মীদের কর্মনিষ্ঠা এবং ঐক্যবদ্ধ থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।

                                    উপস্থিতির একাংশ

উপাধ্যক্ষ প্রফেসর রঞ্জিত কুমার সরকার বলেন এমন ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষার পরিবেশকে সুন্দর ও পবিত্র করে।

খাওয়ার আগমূহূর্তের ছবি

 

 কবিতা, ছন্দ আর সঠিক শব্দচয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের প্রাণবন্ততা আরেকমাত্রা বাড়িয়ে দেন সঞ্চালক মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান। অনুষ্ঠানের সকল বিদায়ী সহকর্মীকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়।

                                  সহকর্মীদের একাংশ

প্রফেসর মো: আমির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর রঞ্জিত কুমার সরকার, সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বর্তমান ও সদ্য বদলী হওয়া বিসিএস কর্মর্তারা।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*